বাংলাদেশের প্রবাসীরা জুলাই ২০২৬ সালের প্রথম মাত্র ২০ দিনেই পাঠিয়েছেন ২০২ কোটি ডলার (২.০১৮ বিলিয়ন ডলার) রেমিটেন্স। এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৩.১ শতাংশ বেশি — ২০২৫ সালের জুলাই ১-২০ সময়ে এসেছিল ১৬৩.৯ কোটি ডলার। শুধু ২০ জুলাইয়ের এক দিনেই এসেছে ৭৫ মিলিয়ন ডলার।
মাসের শুরু থেকেই উজ্জ্বল ছবি
এই অর্থবছর শুরু থেকেই রেমিটেন্স প্রবাহ শক্তিশালী। জুলাই ১-১৩ তারিখে এসেছিল ১৪২.৭ কোটি ডলার (১৯.৫% প্রবৃদ্ধি)। পরবর্তী সাত দিনে আরও প্রায় ৬০ কোটি ডলার যোগ হয়েছে — যা প্রমাণ করে প্রবাসী আয়ের গতি ধারাবাহিক।
- জুলাই ১-২০, ২০২৬: ২.০১৮ বিলিয়ন ডলার
- জুলাই ১-২০, ২০২৫: ১.৬৩৯ বিলিয়ন ডলার
- প্রবৃদ্ধি: +২৩.১%
- শুধু ২০ জুলাই: ৭৫ মিলিয়ন ডলার
কেন এই প্রবৃদ্ধি?
বিশেষজ্ঞরা এই ঊর্ধ্বমুখী রেমিটেন্সের পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ দেখছেন:
- মালয়েশিয়া শ্রমবাজার পুনরায় চালু হওয়ায় নতুন কর্মী পাঠানো বেড়েছে
- সরকারের ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিটেন্স পাঠানোর প্রণোদনা কার্যকর ভূমিকা রাখছে
- মধ্যপ্রাচ্যে, বিশেষত সৌদি আরব ও UAE-তে, কর্মীর সংখ্যা ও বেতন বৃদ্ধি
- হুন্ডির বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান ও ডিজিটাল ব্যাংকিং সুবিধার সম্প্রসারণ
অর্থনীতিতে কী প্রভাব?
বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, এই ধারাবাহিক রেমিটেন্স প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করবে এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতে বাহ্যিক খাতের স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট রেমিটেন্স রেকর্ড ৩৪-৩৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল।
