প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চীনের বেইজিংয়ে রাষ্ট্রীয় সফরে এসেছেন। ২৩ জুন ২০২৬ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ডালিয়ান বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পর তিনি বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছেছেন। এই সফরে বাংলাদেশ প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার চীনা অর্থায়ন চাইছে এবং কমপক্ষে ১২টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে।
কোন কোন খাতে চুক্তি হচ্ছে?
- প্রশিক্ষণ কার্যক্রম — বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা
- সবুজ জ্বালানি ও সৌরশক্তি — পরিচ্ছন্ন জ্বালানি প্রকল্পে বিনিয়োগ
- বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি) — চেরি, হোন্ডা ও চায়নাটেক্সের সাথে আলোচনা
- মংলা বন্দর আধুনিকীকরণ — বাণিজ্যিক সুবিধা বৃদ্ধি
- চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল — কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ
- বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী ১,০০০ শয্যার হাসপাতাল — চীনা অনুদানে নির্মাণ
- ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে — যোগাযোগ অবকাঠামো
প্রবাসী ও কর্মীদের জন্য কী সুযোগ?
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের এমওইউ বাংলাদেশি কর্মীদের চীনে প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করবে। পাশাপাশি চট্টগ্রামে প্রস্তাবিত চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে হাজার হাজার স্থানীয় কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।
তারেক রহমান চীনা প্রেমিয়ার লি কিয়াং ও প্রেসিডেন্ট সি জিনপিংয়ের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো এবং আঞ্চলিক সংযোগ জোরদারে মনোযোগ দেওয়া হবে।
ডালিয়ান ডব্লিউইএফ সম্মেলনে বাংলাদেশ
এই সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশের ১,৭০০ সরকারি প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা যোগ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী এই সুযোগে চীনা বিনিয়োগকারী ও শীর্ষ ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে অবহিত করেছেন।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার
