বাংলাদেশ সরকার বিদেশিদের প্রবেশ ও প্রস্থান আরও সহজ, সুশৃঙ্খল ও সেবামুখী করতে দীর্ঘ ২০ বছর পর নতুন ভিসা নীতি প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। আজ (২ জুলাই ২০২৬) অনুষ্ঠিত ১১তম মন্ত্রিসভা বৈঠকে খসড়া "ভিসা নীতি ২০২৬" পর্যালোচনার জন্য একটি ক্যাবিনেট কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির নেতৃত্বে অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই কমিটির নেতৃত্ব দেবেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটির সচিবালয় হিসেবে কাজ করবে। পর্যটন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ও মতামত প্রদান করবে।
নতুন ভিসা নীতিতে কী থাকবে?
- ৩৪টি ক্যাটাগরিতে ভিসার সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছে
- বিদেশি বিনিয়োগ, ব্যবসা ও দক্ষ মানবসম্পদ আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে নীতি সংশোধন
- পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের উন্নয়ন
- প্রযুক্তি ও জ্ঞান হস্তান্তর সহজ করা
- পারস্পরিকতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা
- জাতীয় নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা
কেন এই পরিবর্তন?
বর্তমানে কার্যকর ভিসা নীতি ২০০৬ সালে প্রণীত হয়েছিল। গত ২০ বছরে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, পর্যটন ও প্রযুক্তি সহযোগিতার ধারা ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি জানান, নতুন নীতির আওতায় ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে এবং বিদেশিরা সহজে আসতে পারবেন।
বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য তাৎপর্য
এই নীতিটি মূলত বিদেশিদের বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য হলেও, এটি পারস্পরিক কূটনৈতিক ভিসা সম্পর্ক উন্নত করবে। বিদেশে থাকা বাংলাদেশিরা আরও বেশি বিদেশি বিনিয়োগের সুবাদে দেশে প্রত্যাবর্তনের নতুন সুযোগ পাবেন। এছাড়া নতুন কূটনৈতিক সম্পর্ক থেকে শ্রম চুক্তিও উপকৃত হতে পারে।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার
