মধ্যপ্রাচ্যে কর্মী রপ্তানিতে ঐতিহাসিক মন্দার মধ্যে সুখবর — ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) ইউরোপে বাংলাদেশি কর্মী অভিবাসন ৪৬.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সময়ে ইউরোপে গেছেন ১৮,২২০ জন বাংলাদেশি কর্মী। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকার মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার মোকাবেলায় এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকায় ১৬টি নতুন শ্রম বাজার খোঁজার উদ্যোগ নিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে মন্দার কারণ
২০২৬ সালের প্রথমার্ধে সামগ্রিক বৈদেশিক কর্মসংস্থান ২৮% কমেছে, কারণ মধ্যপ্রাচ্যে কর্মী রপ্তানি কমেছে ৩৮.২%। সৌদি আরব, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমানে অর্থনৈতিক সংকোচন এবং ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের প্রভাবে এই মন্দা এসেছে।
সরকারের নতুন লক্ষ্য: ১৬ দেশ
- ইউরোপ: সার্বিয়া, রোমানিয়া, পর্তুগাল, গ্রিস, স্পেন, উত্তর মেসেডোনিয়া, মাল্টা, অস্ট্রিয়া, আলবেনিয়া
- এশিয়া: থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, লেবানন, ওমান
- অন্যান্য: রাশিয়া, ব্রাজিল, মরিশাস
ইতালির সাফল্যের পর ইউরোপে ঝোঁক
ইতালিতে বাংলাদেশি কর্মীদের সফলতার পর সরকার সার্বিয়া, রোমানিয়া, গ্রিস ও পর্তুগালে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (MoU) সই করার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতিমধ্যে ১৮টি দেশের সঙ্গে MoU বা সহযোগিতা চুক্তি রয়েছে এবং আরও ৪টি দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন।
সরকারের লক্ষ্যমাত্রা
সরকার আগামী ৫ বছরে ১ কোটি দক্ষ কর্মী বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে। বিশেষভাবে স্কিল ভেরিফিকেশন প্রোগ্রাম, ডিজিটাল সার্টিফিকেট এবং নতুন ৫০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে কর্মীদের আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
