বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম আনুষ্ঠানিক বিদেশ সফর হিসেবে মালয়েশিয়া বেছে নিয়েছেন। তিনি ২১ ও ২২ জুন ২০২৬ কুয়ালালামপুরে একটি রাষ্ট্রীয় সফর করবেন। এরপর ২৩–২৫ জুন চীন সফরে যাবেন।
কেন মালয়েশিয়া প্রথম গন্তব্য?
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতের আগে মালয়েশিয়াকে অগ্রাধিকার দেওয়া বাংলাদেশের কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার একটি কৌশলগত বার্তা। মালয়েশিয়ায় বর্তমানে প্রায় ৮ লাখ বাংলাদেশি কর্মী কর্মরত আছেন, যা দেশটির মোট বিদেশি কর্মশক্তির প্রায় ৩৭ শতাংশ।
সফরের মূল আলোচ্য বিষয়
- প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা
- শ্রম অভিবাসন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত করা
- নিয়োগ খরচ কমানো ও সিন্ডিকেটমুক্ত নিয়োগ নিশ্চিত করা
- আটকে পড়া কর্মীদের পুনর্বাসন
- দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিক্ষা সহযোগিতা
পূর্ববর্তী সফরের অসম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতি
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের মালয়েশিয়া সফরে সিন্ডিকেটমুক্ত নিয়োগ, অভিবাসন ব্যয় হ্রাস ও আটকা পড়া কর্মীদের পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে বাস্তবায়নে অগ্রগতি সীমিত ছিল। এই সফরে সেই ঘাটতি পূরণের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
সম্ভাব্য চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক
সফরকালে কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে। মালয়েশিয়ান প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সরকার এই সিদ্ধান্তকে প্রবাসী কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিফলন হিসেবে দেখছে।
সূত্র: বিডি ডাইজেস্ট
