গত ৮ জুন ২০২৬, ১৩তম জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের বৈঠকে প্রবাসী কর্মীদের নিরাপত্তা ও জালিয়াতি নিয়ে তীব্র প্রশ্নোত্তর হয়। বিরোধী দলের এমপিরা জানতে চান, ভুয়া ডিমান্ড লেটার ব্যবহার করে কর্মীদের বিদেশ পাঠানো এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সংসদে উত্থাপিত প্রধান প্রশ্নগুলো
- নোয়াখালী-৬ আসনের এমপি আব্দুল হান্নান মাসুদ (এনসিপি) জানতে চান, জালিয়াতি ডিমান্ড লেটার ব্যবহারকারী রিক্রুটিং এজেন্সিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা
- সংরক্ষিত আসনের সদস্য মার্দিয়া মোমতাজ (জামায়াত) নারী প্রবাসী কর্মীদের নিরাপত্তা, বিশেষত যৌন নির্যাতনের ঘটনা ও প্রতিকার ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চান
সরকারের জবাব ও স্বীকৃতি
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর জানান:
- বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন ডিমান্ড লেটার যাচাই করলেও লজিস্টিক্যাল ও আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকায় সব ক্ষেত্রে কঠোর যাচাই সম্ভব হয় না
- ২৭টি দূতাবাসে ৩০টি শ্রম কল্যাণ উইং রয়েছে তবে ফাঁকফোকর আছে
- সৌদি আরবে নারী প্রবাসীদের জন্য ২টি সেফ হোম স্থাপিত হয়েছে; অন্য দেশেও চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে
- যৌন নির্যাতনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আরও সতর্ক নজরদারি রাখছে
প্রবাসীদের করণীয়
যেকোনো বিদেশ যাওয়ার আগে ডিমান্ড লেটার BMET ও সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে যাচাই করুন। সন্দেহজনক ডিমান্ড লেটার হলে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করুন।
সূত্র: নিউ এজ বাংলাদেশ
