সৌদি আরব পর্যটন মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিশর, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া ও মেক্সিকো — এই সাতটি দেশের নাগরিকদের জন্য একটি নতুন 'প্যাকেজ ভিসা' পাইলট কার্যক্রম চালু করেছে। এই উদ্যোগের আওতায় পর্যটকরা একটিমাত্র বুকিংয়ের মাধ্যমে রিটার্ন ফ্লাইট, হোটেল থাকার ব্যবস্থা এবং ইলেকট্রনিক ভিসা একসাথে পেয়ে যাবেন। ফলে আর আলাদাভাবে দূতাবাসে গিয়ে ভিসার আবেদন করার প্রয়োজন নেই।
প্যাকেজ ভিসায় কী কী আছে?
- রিটার্ন ফ্লাইট — যাওয়া-আসার বিমান টিকিট
- হোটেল থাকার ব্যবস্থা — পর্যটন মন্ত্রণালয় অনুমোদিত কমপক্ষে চার তারকা হোটেল
- ইলেকট্রনিক ট্যুরিস্ট ভিসা — প্যাকেজ বুকিংয়ের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইমেইলে ভিসা ও ট্রাভেল ডকুমেন্ট পাওয়া যাবে
ভিসার বিবরণ
- বৈধতা: তিন মাস, একবার প্রবেশাধিকার
- অবস্থানকাল: সর্বনিম্ন ২ দিন থেকে সর্বোচ্চ ৮৮ দিন
- ভিসা ফি (বীমাসহ): ৪০২.২১ সৌদি রিয়াল
খরচ কত?
- প্রথম দুই দিন (প্রাপ্তবয়স্ক): ৪,০০০ সৌদি রিয়াল
- প্রতিটি অতিরিক্ত দিন: ১,০০০ সৌদি রিয়াল
- অতিরিক্ত কার্যক্রম ও বিনোদনের জন্য ঐচ্ছিক প্যাকেজ পাওয়া যাবে
কোথায় আবেদন করবেন?
প্যাকেজ ভিসা পেতে হলে সৌদি পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে বুকিং করতে হবে। বর্তমানে Reserval এবং Almosafer — এই দুটি ট্রাভেল এজেন্সি এই সেবা প্রদান করছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- এই প্যাকেজের আওতায় মক্কা ও মদিনায় উমরাহ পালনের কোনো সুবিধা নেই
- তবে ভিসা প্রাপ্তির পর সৌদি আরবের যেকোনো স্থান ভ্রমণ করা যাবে
- ভবিষ্যতে আরও বেশি দেশকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে
এই উদ্যোগ সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ পর্যটন সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চালু হয়েছে। বাংলাদেশিদের জন্য এটি সৌদি আরব ভ্রমণকে আরও সহজ ও দ্রুততর করার একটি বড় সুযোগ।
সূত্র: গালফ নিউজ
