আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) এক নতুন প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমানসহ গালফের ছয়টি দেশ প্রবাসী শ্রমিকদের মারাত্মক তাপপ্রবাহ থেকে রক্ষায় যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
কী বলছে এইচআরডব্লিউ?
- নির্ধারিত মধ্যাহ্ন কাজ-নিষেধাজ্ঞা পর্যাপ্ত নয়
- শ্রমিকরা হিটস্ট্রোক, কিডনি ফেইলিওর ও মৃত্যুর মুখোমুখি হচ্ছেন
- তাপমাত্রা ৪৫°C ছাড়িয়ে যাচ্ছে, শুধু দুপুরের বিরতি যথেষ্ট নয়
- শ্রমিকদের ঘাম, পানিশূন্যতা, অতিরিক্ত তাপে নানা রোগ
- সরকারি পদক্ষেপ "ধীরগতিতে" চলছে
বাংলাদেশি শ্রমিকরা কতটা ঝুঁকিতে?
গালফের ছয় দেশে প্রায় ৩৫ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মরত আছেন, যাদের বড় অংশ নির্মাণ, সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা খাতে বাইরে কাজ করেন। গ্রীষ্মকালে এই শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।
প্রবাসী শ্রমিকদের করণীয়
- মধ্যাহ্ন বিরতিতে (সাধারণত সকাল ১০টা – বিকাল ৩টা) বাইরে কাজ না করা
- প্রচুর পানি পান করা এবং ছায়ায় বিশ্রাম নেওয়া
- তীব্র গরমে অসুস্থ হলে নিয়োগদাতাকে জানানো ও চিকিৎসা নেওয়া
- দূতাবাস ও শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রে সমস্যা রিপোর্ট করা
সরকারের প্রতি এইচআরডব্লিউ-র দাবি
সংস্থাটি গালফের সব দেশকে শুধু মধ্যাহ্ন নিষেধাজ্ঞার বাইরে গিয়ে তাপমাত্রা-ভিত্তিক শ্রমিক সুরক্ষা নীতি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে। বাংলাদেশ সরকারকেও দ্বিপক্ষীয় শ্রম চুক্তিতে এই সুরক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
