যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ বা ব্যবসায়িক ভিসা পেতে এখন থেকে বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট ৫০টি দেশের নাগরিকদের সর্বোচ্চ ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত (ভিসা বন্ড) জমা দিতে হবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর পাইলট কার্যক্রম থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে এই কর্মসূচি স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কখন থেকে কার্যকর?
৩১ জুলাই ২০২৬ (শুক্রবার) মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন এই বিধিমালা ৩ আগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হচ্ছে। এটি B-1 (ব্যবসায়িক) ও B-2 (পর্যটন) ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
কী পরিবর্তন হলো?
- আগের পাইলট কর্মসূচিতে ৫ হাজার, ১০ হাজার বা সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার জামানত নেওয়া হতো।
- নতুন চূড়ান্ত বিধিমালায় ৫ হাজার ডলারের বিকল্পটি বাতিল করা হয়েছে।
- সর্বোচ্চ জামানতের পরিমাণ ২০ হাজার ডলারে উন্নীত করা হয়েছে।
- কনস্যুলার কর্মকর্তারা প্রয়োজনমতো জামানত চাইতে পারবেন — সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে দিতে হবে না।
কোন দেশগুলো প্রভাবিত?
মোট ৫০টি দেশের নাগরিকরা এই নিয়মের আওতায় পড়বেন। তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে। তালিকাভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ৩০টিই আফ্রিকার। দক্ষিণ এশিয়া থেকে নেপাল ও ভুটানও রয়েছে। তবে ভারত এই তালিকায় নেই।
উদ্দেশ্য কী?
মার্কিন কর্তৃপক্ষ বলছেন, ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও যারা যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে থেকে যান (ভিসা ওভারস্টে), তাদের নিরুৎসাহিত করতেই এই ব্যবস্থা। তবে অভিবাসন অধিকারকর্মীরা বলছেন, এটি বৈধ ভ্রমণকারীদের জন্যও প্রতিবন্ধক হবে।
বাংলাদেশিদের জন্য করণীয়
- যারা যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, তারা ভিসা আবেদনের আগে এই নতুন নিয়ম সম্পর্কে কনস্যুলেট থেকে তথ্য জেনে নিন।
- কনস্যুলার অফিসার জামানত চাইলে ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত থাকতে হতে পারে।
- নির্ধারিত সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে জামানত ফেরত পাওয়া যাবে।
সূত্র: মানবজমিন (রয়টার্সের বরাতে)
