বাংলাদেশের প্রবাসী কর্মীরা ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ৩৫.৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন — যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বার্ষিক রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এটি আগের অর্থবছরের (FY২০২৪-২৫) ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ১৭.৩ শতাংশ বেশি — অর্থাৎ মাত্র এক বছরে ৫.২৩ বিলিয়ন ডলার বেশি এসেছে।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?
- রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার সবচেয়ে বড় উৎস
- রপ্তানি আয় কমলেও প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ চলতি হিসাবের ঘাটতি সামলে দিয়েছে
- টাকার বিনিময় মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করছে এই বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা
- লক্ষ লক্ষ পরিবারের দৈনন্দিন জীবিকা সরাসরি রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভরশীল
জুলাই ২০২৬-এও ধারা অব্যাহত
নতুন অর্থবছরের (FY২০২৬-২৭) শুরুতেও প্রবাহ বেগবান। জুলাই মাসের প্রথম ২৮ দিনে ২.৬২ বিলিয়ন ডলার এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৯.৮ শতাংশ বেশি। ২৮ জুলাই একদিনেই প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৯৭ মিলিয়ন ডলার।
প্রবাসীরাই বাংলাদেশের মেরুদণ্ড
মধ্যপ্রাচ্যে সাত কোটি বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন, যারা বছরের পর বছর কষ্ট করে এই বিশাল পরিমাণ অর্থ দেশে পাঠাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকার যদি মাইগ্রেশন খরচ কমাতে পারে ও নতুন বাজারে প্রবেশ করতে পারে, তাহলে এই প্রবাহ আরও বাড়বে।
সূত্র: প্রথম আলো (ইংরেজি) ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, ১ জুলাই ২০২৬
